টুডে নিউজ সার্ভিস, জলপাইগুড়িঃ  সোমবার সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে জলপাইগুড়ি শহরের সমস্ত সোনার দোকান। সোনার গহনা বিক্রির সরলীকরণের দাবিতে এদিন সারা ভারত জুড়ে সোনার অলংকার ব‍্যবসায়ীরা একদিনের ব‍্যবসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একদিনের এই বনধকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে নিজেদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন জলপাইগুড়ি জুয়েলার্স অ্যশোসিয়েশনের সদস্যরা।  ফলে জলপাইগুড়িতে শহরের সব কয়টি সোনার দোকানই বন্ধ থাকে। জলপাইগুড়ির কদমতলা, মার্চেন্ট রোড, ডিবিসি রোড, যোগোমায়া কালিবাড়ি ইত্যাদি জায়গায় সোনার দোকানগুলো সব বন্ধ। যদিও সোনার দোকান বন্ধ থাকায় তেমনভাবে সমস্যার সন্মুখীন হতে হয়নি সাধারণ মানুষদের। কেন্দ্রীয় সরকারের বিআইএস দপ্তর সোনার ব‍্যবসায় যে কঠিন নিয়মাবলী চালু করেছে তার প্রতিবাদেই একদিনের এই ধর্মঘট বলে জানিয়েছেন জলপাইগুড়ি জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের  সম্পাদক বিকাশ দাস। তিনি বলেন, শুধু জলপাইগুড়ি শহর নয়, জেলার প্রতিটি ব্লক এবং প্রত্যন্ত এলাকায় বনধের সমর্থনে বন্ধ রয়েছে সমস্ত সোনার দোকান।

   বিকাশ বাবু বলেন, জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় দুশো সোনার দোকান রয়েছে। কারিগর রয়েছে প্রায় ছয় হাজার। সোনার গহনা বিক্রির সরলীকরণের দাবিতে সোমবার সারা ভারত জুড়ে সোনার অলংকার ব‍্যবসায়ীরা একদিনের ব‍্যবসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একদিনের এই বনধকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে জলপাইগুড়ি জুয়েলার্স অ্যশোসিয়েশন।  অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা বলেন।  অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিকাশ দাস বলেন, সোনার গহনা বিক্রি করতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিআইএস দপ্তর যে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করছে এতে সাধারণ ছোট সোনার ব‍্যবসায়ীরা সোনার ব‍্যবসা বন্ধ করার সম্মুখে পড়েছে। হলমার্ক থেকে দোকান কম্পিউটারিস করা সব বিষয়ে কঠিন নিয়মাবলী আনতে চলেছে বিআইএস। তাই অবিলম্বে এই সিদ্ধান্তগুলো সরলীকরণের দাবিতে দেশব্যাপী একদিনের বনধ করার সিদ্ধান্ত সোনা ব‍্যবসায়ীদের। তিনি জানান, তাদের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here